7.2 Information for Medical Assistants, Community Health Care Providers (CHCP) for high blood pressure detection and referral

exp date isn't null, but text field is

প্রাইমারি কেয়ার স্তরে চিকিৎসা সহকারী ও কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডারদের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় ও রেফারেল সংক্রান্ত তথ্য

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন কি?

রক্তচাপ হচ্ছে রক্তনালীর উপরে রক্তের প্রদেয় চাপ। স্বাভাবিক ভাবে সমস্ত দিনে বিভিন্ন সময়ে রক্তচাপ বাড়তে বা কমতে পারে। যখন এই রক্তচাপ দীর্ঘ সময়/ দীর্ঘ দিন ধরে একই ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে তখন এই রক্তচাপকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে। সকল বয়সের লোকেরই এই উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের অর্ধেকর ও বেশি মানুষ জানেনা যে তারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। দৈনন্দিন জীবন যাপনের অথবা প্রয়োজন ভেদে ঔষধের মাধ্যমে/ঔষধ ও স্বাস্থ্য সম্মত জীবন আচরণ অনুশীলনের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ/বিলম্বিত অথবা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। রক্তচাপ সাধারনতঃ দুইটি পরিমাপের মাধ্যমে প্রকাশ বা লিপিবদ্ধ করা হয়। প্রথম এবং উপরের পরিমাপকে সিস্টোলিক (Systolic) এবং শেষ বা নীচের পরিমাপকে ডায়াস্টলিক (Diastolic) ব্লাড প্রেসার বলা হয়।

পূর্ণ বয়স্কদের ক্ষেত্রে সিস্টোলিক রক্তচাপ ১৪০ মিমি মার্কারী অথবা এর উপরে অথবা ডায়াস্টলিক রক্তচাপ ৯০ মিমি মার্কারী অথবা এর উপরে হলে উচ্চ রক্তচাপ ধরা হয়ে থাকে। সিস্টোলিক রক্তচাপ ১২০ মিমি মার্কারী এর কম এবং ডায়াস্টলিক রক্তচাপ ৮০ মিমি মার্কারী কম রাখাটা কাম্য। সিস্টোলিক রক্তচাপ ১২০-১৩৯ মিমি মার্কারী অথবা ডায়াস্টলিক রক্তচাপ ৮০-৯০ মিমি মার্কারী হলে, এই গ্রুপের রোগীদের ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, যদি তারা স্বাস্থ্য সম্মত জীবনযাত্রা নির্বাহ না করে।

সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টলিক রক্তচাপ, যে কোন একটির বৃদ্ধিকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। যেমন কোন ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি হলেও তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। এক্ষেত্রে একে সিস্টোলিক উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়।, তেমনি কোন ব্যক্তির কেবলমাত্র ডায়াস্টলিক রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অধিক হয় তখন তাকে ডায়াস্টলিক উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। উচ্চ রক্তচাপ রোগী নির্ণয়ের পূর্বে বিভিন্ন সময়ে কমপক্ষে দুই বা ততোধিকবার উচ্চ রক্তচাপ পাওয়া বাঞ্ছনীয়।

উচ্চ রক্তচাপের প্রকারভেদঃ

ক) এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন (Essential hypertension): শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ রোগীর উচ্চ রক্তচাপের কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। এই ধরণের উচ্চ রক্তচাপকে এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন বলে।

খ) সেকেন্ডারী হাইপারটেনশন (Secondary hypertension): কিছু ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়। এই জাতীয় উচ্চ রক্তচাপকে সেকেন্ডারী হাইপারটেনশন বলে। এই জাতীয় উচ্চ রক্তচাপ কিডনী রোগ, জন্মগত ত্রুটি অথবা অন্যান্য কারণে হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এই জাতীয় রক্তচাপের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা সম্ভব।

রক্তচাপ পরিমাপ

রক্তচাপ সাধারনতঃ রক্তচাপ মাপার যন্ত্র (Sphygmomnometer) এর মাধ্যমে মাপা হয়। রক্তচাপকে মিমি মার্কারী (mm of Hg) হিসাবে প্রকাশ করা হয়। বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ মাপা যায়, যেমন- ডিজিটাল, অ্যানরয়েড, মার্কারী।

সঠিকভাবে রক্তচাপ পরিমাপের জন্য নিন্মলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা প্রয়োজনঃ

  • সঠিক যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে।
  • সাধারণতঃ বসে বা শুয়ে রক্তচাপ মাপতে হবে। বৃদ্ধ, ডায়াবেটিক রোগী এবং যাদের Postural hypertension আছে বলে মনে হয় তাদের ক্ষেত্রে দাঁড়ানো অবস্থাতেও রক্তচাপ মাপতে হবে।
  • রক্ত চাপ পরিমাপের পূর্বে আধঘণ্টার মধ্যে ধূমপান বা ক্যাফিনযুক্ত কোন কিছু (চা, কফি ইত্যাদি) ব্যবহার বা গ্রহণ করেছেন কিনা জেনে নিতে হবে।
  • রক্তচাপ পরিমাপের পূর্বে রোগীকে ১৫-২০ মিনিট বিশ্রাম নেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে হবে।
  • রোগীর প্রস্রাব/পায়খানার বেগ আছে কিনা জানতে হবে, থাকলে টয়লেট থেকে আসার পর রক্তচাপ পরিমাপ করতে হবে।
  • বাহু থেকে শক্ত ভাবে এটে থাকা কাপড় সরাতে হবে।
  • বাহুকে হার্টের সমান সমতলে রাখতে হবে।
  • যথাযথ মাপার কাফ (Cuff) ব্যবহার করতে হবে। রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের ব্লাডার, বাহুর দুই তৃতীয়াংশের বেশি জায়গা জড়িয়ে থাকতে হবে।
  • রক্তচাপ পরিমাপ এর পূর্বে রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে।
  • রক্তচাপ মাপার সময় রোগী হাতল ওয়ালা চেয়ারে পিছনে হেলান দিয়ে আরাম করে বসবেন এবং পায়ের উভয় পাতা মেঝেতে আলতোভাবে লাগিয়ে রাখবেন, পায়ের উপর পা তুলে রাখা বা পা আড়াআড়ি রাখা যাবেনা।
  • ২ মিনিট ব্যবধানে ২ বার রক্তচাপ মাপতে হবে এবং উভয়ের গড় অথবা যেটি অধিক, সেটি বিবেচনায় নিতে হবে।
  • সম্ভব হলে উভয় বাহুতে রক্তচাপ মাপতে হবে এবং যে বাহুতে বেশি থাকবে, সেটিই বিবেচনায় নিতে হবে।
  • রক্তচাপ পরিমাপের সময় রোগীকে কোন কথা বলতে নিষেধ করতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপের উপসর্গগুলি কি?

উচ্চ রক্তচাপকে অনেক সময় "নিরব ঘাতক" বলা হয়, কারণ বেশিরভাগ সময় তেমন কোন উপসর্গই থাকে না। তাই অনেকে মনে করে তার কোন উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা নেই। তাই তারা কোন চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে যান না। তাদের ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা বা কোন জটিলতা দেখা দেওয়ার পর রক্তচাপ পরিমাপ করার মাধ্যমেই এই রোগ নির্ণীত হয়ে থাকে।

ল্যাবরেটরী পরীক্ষাঃ

শুধুমাত্র উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয়ের জন্য কোন ল্যাবরেটরী পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। সেকেন্ডারী হাইপারটেনশন সন্দেহ হলে ল্যাবরেটরী পরীক্ষা করতে হবে। তবে উচ্চ রক্তচাপের কারণে শরীরে কোন ক্ষতি হয়েছে কিনা তা নির্ণয়ের জন্য নিন্মলিখিত পরীক্ষাগুলো করা যেতে পারেঃ

১. প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা

২. রক্তে গ্লকোজের পরিমান

৩. রক্তে ক্রিয়াটিনিনের মাত্রা

৪. রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা

৫. বুকের এক্স-রে

৬. ইসিজি (ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম)

এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসাঃ

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসাঃ প্রধানত দুই প্রকার-

১. জীবন শৈলীর / স্বাস্থ্য সম্মত জীবনাচার/জীবনযাত্রা নির্বাহের পদ্ধতি পরিবর্তনের মাধ্যমে
২. ঔষধের মাধ্যমে/ ঔষধ ও স্বাস্থ্য সম্মত জীবনাচার/জীবনযাত্রা নির্বাহের পদ্ধতি অনুশীলনের মাধ্যমে।

জীবন যাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসার সাফল্য সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত। এজন্য ঔষধ লাগুক কিংবা না লাগুক, সকল উচ্চ রক্তচাপের রোগীর জীবনযাত্রার পরিবর্তন প্রয়োজনীয়। এই বিষয়ে নিচের ছকটি দেখুন।

উচ্চ রক্তচাপ ব্যবস্থাপনায় জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তনে কার্যকর পদ্ধতি সমূহঃ

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনন্দিন প্রধান খাবারের (Main meals) আদর্শ প্লেটে নিম্নোক্ত খাদ্য সামগ্রী থাকা আবশ্যক।

সাথে স্থানীয় পর্যায়ে সহজলভ্য মৌসুমি ফল নিয়মিত খেতে হবে।

সাধারণ স্বাস্থ্যসম্মত, এবং অস্বাস্থ্যসম্মত খাবারের তালিকা। তবে রোগী ভেদে পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্য তালিকা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারেঃ 

প্রাইমারি কেয়ার স্তরে উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় ও রেফারলঃ

চিকিৎসা সহকারী ও কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকেই উচ্চ রক্তচাপের নিয়ন্ত্রনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কেন্দ্রে আগত সকল প্রাপ্ত বয়স্ক সেবা গ্রহণকারীর এবং গর্ভবতী মহিলাদের রক্তচাপ পরিমাপ করে একটি আলাদা রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করা প্রয়োজন/করতে হবে। নিন্মের ছকে বর্ণিত রক্তচাপের স্তর অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

যে সকল উচ্চরক্তচাপ এর রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এনসিডি কর্নারে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সম্মত জীবনযাত্রা অনুশীলনের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ কাঙ্খিত পর্যায়ে নিয়ন্ত্রিত, সে সকল রোগী নিকটস্থ উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র বা কমিউনিটি ক্লিনিক হতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফলোআপ (স্বাস্থ্য সম্মত জীবন যাপন সংক্রান্ত পরামর্শ) এবং চিকিৎসকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র অনুসারে ঔষধ সংগ্রহ করতে পারেন (নিম্নমুখী রেফারেল ও রিফিলিং এর মাধ্যমে)। এটি রোগীর জন্য ব্যয়সাশ্রয়ী এবং ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এনসিডি কর্নারের চাপ বহুলাংশে হ্রাস করা সম্ভব। তবে কমিউনিটি ক্লিনিক বা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফলো আপ এর সময় রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে সেই রোগীকে পুনরায় এনসিডি কর্নারে প্রেরন করতে হবে। উল্লেখ্য যে চূড়ান্তভাবে নির্ণীত রোগীদের রোগ নিরাময় সহ অন্য সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সম্মত জীবনযাত্রার পদ্ধতি অনুশীলনের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধই উত্তম এবং এ বিষয়ে আমাদের সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমূহঃ

উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসা বিভিন্ন ধরণের ঔষধ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। প্রায়শই একের অধিক ঔষধ প্রয়োজন হয়ে থাকে। ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র অনুসারেই এই ঔষধ নিয়মিত সেবন করা উচিৎ।

প্রথম সারির ব্যবহৃত ঔষধসমূহঃ

(ক) ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার (Calcium channel blocker): রক্তনালী প্রসারণের মাধ্যমে এই ঔষধগুলো রক্তচাপ কমায়।

যেমন- নিফিডিপিন, এমলোডিপিন, ভেরাপামিল ইত্যাদি। হার্ট ফেইলিওর রোগীকে এই সাবধানে ব্যবহার করা উচিত।

(খ) এনজিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার (ARB): এই ঔষধ সমূহ অত্যন্ত কার্যকর ও নিরাপদ। লোসারটান, ভালসারটান, কেন্ডেসারটান  ইত্যাদি। গর্ভাবস্থায় এই ঔষধ সমূহ নিষিদ্ধ।

(গ) এনজিওটেনসিন কনভারটিং এনজাইম ইনহিবিটর (ACE inhibitor): এ ঔষধ সমূহ অত্যন্ত কার্যকর। রেমিপ্রিল, লিসিনোপ্রিল, ক্যাপটোপ্রিল, ইনালাপ্রিল ইত্যাদি। গর্ভাবস্থায় এই ঔষধ দেয়া যাবে না।

(ঘ) ডাইইউরেটিক্স (Diuretics): এটা কিডনীর উপর কাজ করে শরীরের অতিরিক্ত পানি এবং লবন নিষ্কাশন করে উচ্চ রক্তচাপ কমায়। ফ্রুসেমাইড (Frusemide), থায়াজাইড, স্পাইরোনোলেকটোন, ইনডেপামাইড ইত্যাদি একক ভাবে অথবা অন্য ঔষধের সঙ্গে ব্যবহার করা যেতে পারে।

(ঙ) বিটা ব্লকার (Beta blockers): ইহা হাটের স্পন্দন কমায় যেমন প্রোপানোলল, এটিনোলল, ক্যার্ডিডিলোল ইত্যাদি। হাপানি, COPD রোগীর এই ঔষধ ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

উচ্চ রক্তচাপের ফলাফল/জটিলতা

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, ব্রেইন স্ট্রোক, ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজ, হার্ট এটাক, হার্ট ফেইলিওর, কিডনী রোগ, কিডনী ফেইলিওর, অন্ধত্ব ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি বহুলাংশে বৃদ্ধি করে। উচ্চ রুক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করলে উপরোক্ত রোগসমূহ হওয়ার হার এবং মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে। উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসার ফলাফল জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, বয়স নির্বিশেষে অত্যন্ত কার্যকর।

অনেকে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (Normal) হয়ে গেলে ঔষধ ছেড়ে দেন যার ফলে কিছুদিন পর আবার রক্তচাপ বেড়ে যায়। কাজেই উচ্চ রক্তচাপ একবার ধরা পড়লে, এর উপসর্গ এবং ক্ষতি থেকে বাঁচতে হলে মাঝে মাঝে রক্তচাপ পরীক্ষা করিয়ে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হবে। একমাত্র ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ পরিবর্তন অথবা বন্ধ করা যাবেনা।

*উল্লেখ্য যে, উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের নিরবচ্ছিন্নভাবে ঔষধ ব্যাবহার করা অপরিহার্য। সরকারী পদ্ধতিগত জটিলতা/দীর্ঘসূত্রতার কারনে নিরবচ্ছিন্নভাবে ঔষধ সংগ্রহ ও সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশংকা থাকে। তাই রোগীদের বুঝাতে হবে যাতে এ সাময়িক সময়ের জন্য একটু কষ্ট হলেও যেন ঔষধ বাদ না দিয়ে নিজের ভালোর জন্য কিছু দিনের ঔষধ নিজে ক্রয় করে ব্যবহার করেন, অন্যথায় তার মারত্মক কোন জটিলতা দেখা দিতে পারে। কিছুদিনের মধ্যে সরকারি সরবরাহ পেলেই তাকে পূর্বের ন্যায় ঔষধ প্রদান করা হবে।